সংক্ষেপে: এই সাইটের সব লেখা কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য। এটি বিনিয়োগ, আইনি বা কর সংক্রান্ত পরামর্শ নয়। বাংলাদেশে ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বর্তমানে নিষিদ্ধ।
সূচিপত্র
বাংলাদেশের আইনি অবস্থান
বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগের ২৪ নম্বর সার্কুলার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২; মূল ইংরেজি নাম FE Circular No. 24) ক্রিপ্টো সম্পদের বিনিময়, স্থানান্তর ও লেনদেন সংক্রান্ত ব্যবসা, কার্যক্রম ও পরিচালনায় যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করেছে। ১৯৪৭ সালের বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (Foreign Exchange Regulation Act, 1947) এর ধারা ২৩(১) অনুযায়ী লঙ্ঘনের সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত জাতীয় ব্লকচেইন নীতিমালা ক্রিপ্টোকারেন্সিকে স্পষ্টভাবে এর প্রয়োগের আওতার বাইরে রেখেছে এবং উপরোক্ত সার্কুলার বাতিল করেনি। বাংলাদেশ ক্রিপ্টো বৈধ করছে — এমন প্রচার ভুল।
সর্বশেষ যাচাই: ৩১ আগস্ট ২০২৬। আইন পরিবর্তিত হতে পারে; সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যোগ্য আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
ঝুঁকি সতর্কতা
- ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম অত্যন্ত অস্থিতিশীল — সম্পূর্ণ মূলধন হারানো সম্ভব।
- এই সম্পদগুলো বাংলাদেশে কোনো আমানত বীমা বা ভোক্তা সুরক্ষার আওতায় নেই।
- অতীতের কর্মক্ষমতা ভবিষ্যতের ফলাফলের কোনো নির্দেশক নয়।
- P2P লেনদেনে প্রতারণা ও অর্থপাচারে অনিচ্ছাকৃত সংশ্লিষ্টতার ঝুঁকি রয়েছে।
দায়ের সীমাবদ্ধতা
আমরা তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করি, তবে কোনো নিশ্চয়তা দিই না। এই সাইটের তথ্যের ভিত্তিতে নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্তের দায় সম্পূর্ণরূপে পাঠকের।
সর্বশেষ হালনাগাদ: