সংক্ষেপে: না — জাতীয় ব্লকচেইন নীতিমালা ২০২৬ ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ করেনি। নীতিমালাটির ধারা 7.4-এ পরিষ্কার লেখা আছে যে ক্রিপ্টো সম্পদ, ভার্চুয়াল কারেন্সি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম এই নীতিমালার আওতার বাইরে এবং সেগুলো নিজ নিজ নিয়ন্ত্রক সংস্থার এখতিয়ারে থাকবে। নীতিমালাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের FE Circular No. 24 (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২) বাতিল করেনি, এবং কোনো লাইসেন্সিং ব্যবস্থাও চালু করেনি — ব্যবহৃত ভাষা হলো “বাংলাদেশ ব্যাংক ভবিষ্যতে যেমন নির্ধারণ করতে পারে”, অর্থাৎ তা এখনো নেই। এটি সরকারি ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহারের নীতিমালা।
নীতিমালাটি প্রকাশের পর অনলাইনে “বাংলাদেশ ক্রিপ্টো খুলে দিচ্ছে” ধরনের দাবি ছড়িয়েছে। নিচে আমরা নীতিমালার নির্দিষ্ট ধারা ধরে ধরে দেখাচ্ছি সেখানে আসলে কী লেখা আছে।
সূচিপত্র
নীতিমালাটি আসলে কী এবং কে প্রকাশ করেছে
এটি আইসিটি বিভাগের প্রকাশিত একটি নীতিমালা, সংস্করণ V1.0, যার মূল বিষয় সরকারি সেবা ও শিল্পখাতে ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রয়োগ। এখানে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি হলো — ব্লকচেইন একটি প্রযুক্তি, আর ক্রিপ্টোকারেন্সি সেই প্রযুক্তির একটি প্রয়োগ মাত্র।
এটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগ কর্তৃক ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ৮৫ পৃষ্ঠার একটি নীতিমালা — সংস্করণ V1.0। এর বিষয়বস্তু হলো সরকারি সেবা ও শিল্পখাতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি প্রয়োগের কাঠামো: পরিচয় ব্যবস্থাপনা, নথি যাচাই, সরবরাহ শৃঙ্খল, দক্ষতা উন্নয়ন ও নাগরিক সচেতনতা।
গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যটি এখানেই: ব্লকচেইন একটি প্রযুক্তি, ক্রিপ্টোকারেন্সি সেই প্রযুক্তির একটি প্রয়োগ। একটি দেশ প্রথমটিকে উৎসাহিত করে দ্বিতীয়টিকে নিষিদ্ধ রাখতে পারে — বাংলাদেশ ঠিক সেটাই করেছে।

ধারা 7.4 আক্ষরিক অর্থে যা বলেছে
ধারা 7.4-এর প্রথম বাক্যেই ক্রিপ্টো সম্পদ ও ভার্চুয়াল কারেন্সিকে নীতিমালার পরিধির বাইরে রাখা হয়েছে এবং নিজ নিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ধারাটির উদ্দেশ্য অনুমতি দেওয়া নয়, বরং দায়িত্বের সীমানা আঁকা।
ধারা 7.4-এর প্রথম বাক্যেই ক্রিপ্টোকে নীতিমালার বাইরে রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে এই অংশটি ক্রিপ্টো সম্পদ, ভার্চুয়াল কারেন্সি ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রক অবস্থান স্পষ্ট করছে — এবং সেগুলো এই নীতিমালার পরিধির বাইরে পড়ে ও নিজ নিজ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারে থাকে।
অর্থাৎ ধারাটির উদ্দেশ্য অনুমতি দেওয়া নয়, বরং দায়িত্বের সীমানা আঁকা: আইসিটি বিভাগ বলছে “এটি আমার এখতিয়ার নয়”। কোনো নীতিমালার পরিধি থেকে কিছু বাদ দেওয়া মানে সেটি অনুমোদিত হয়ে যাওয়া নয়।
কেন এই বাক্যটি ভুলভাবে পড়া হচ্ছে
নীতিমালায় “crypto assets”, “exchange”, “licensing”, “VASP” শব্দগুলো উপস্থিত থাকায় দ্রুত পড়লে মনে হতে পারে একটি অনুমোদন কাঠামো তৈরি হয়েছে। বাস্তবে শব্দগুলো এসেছে কোন সংস্থার এখতিয়ারে কোন বিষয়টি পড়বে — সেই তালিকার অংশ হিসেবে।
ধারা 7.4.1: কোন সংস্থা কী নিয়ন্ত্রণ করবে
নীতিমালাটি এখতিয়ার ভাগ করেছে, কিন্তু কোনো নতুন অনুমতি দেয়নি। এক্সচেঞ্জ, ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ও OTC ডেস্ক বাংলাদেশ ব্যাংকের এখতিয়ারে; VASP পড়ে AML/CFT কাঠামোয়; সীমান্ত অতিক্রমকারী স্থানান্তর FER Act 1947-এর আওতায়।
নীতিমালাটি এখতিয়ার ভাগ করেছে, কিন্তু কোনো নতুন অনুমতি দেয়নি। নিচের টেবিলে ধারা 7.4.1-এ বর্ণিত দায়িত্ব বণ্টন দেওয়া হলো।
| বিষয় | এখতিয়ার | প্রযোজ্য কাঠামো |
|---|---|---|
| ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ, ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম, OTC ডেস্ক | বাংলাদেশ ব্যাংক | কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভবিষ্যতে যে লাইসেন্স ও মূলধন শর্ত নির্ধারণ করতে পারে |
| ভার্চুয়াল অ্যাসেট সেবা প্রদানকারী (VASP) | AML/CFT কাঠামো | মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ ও FATF সুপারিশ |
| সীমান্ত অতিক্রমকারী ভার্চুয়াল অ্যাসেট স্থানান্তর | বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ | Foreign Exchange Regulation Act, 1947 |

“লাইসেন্স” শব্দটি কেন এখনো কোনো ব্যবস্থা নয়
কারণ যে ব্যবস্থা এখনো তৈরিই হয়নি, তাতে কেউ অনুমোদিত হতে পারে না। কোনো আবেদন ফরম, লাইসেন্স শ্রেণি, সময়সীমা বা ফি কাঠামো ঘোষিত হয়নি। তাই কোনো প্ল্যাটফর্ম “নতুন নীতিমালার অধীনে অনুমোদিত” দাবি করলে তা যাচাই করার মতো কোনো তালিকাই আজ নেই।
নীতিমালার ভাষা ভবিষ্যৎকাল — “বাংলাদেশ ব্যাংক যেমন নির্ধারণ করতে পারে” — অর্থাৎ শর্তগুলো এখনো বিদ্যমান নেই। কোনো আবেদন ফরম, কোনো লাইসেন্স শ্রেণি, কোনো সময়সীমা বা কোনো ফি কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি।
এই পার্থক্যটি ব্যবহারিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ: যে ব্যবস্থা এখনো তৈরি হয়নি, তাতে কেউ অনুমোদিত হতে পারে না। কোনো প্ল্যাটফর্ম যদি দাবি করে যে তারা বাংলাদেশে “নতুন নীতিমালার অধীনে অনুমোদিত”, সেটি যাচাই করার মতো কোনো তালিকাই আজ অস্তিত্বশীল নয় — এবং এটি প্রতারণার একটি সম্ভাব্য সংকেত।
FE Circular No. 24 এখনো বহাল আছে
২০২৬ সালের নীতিমালা বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সার্কুলারটি বাতিল বা সংশোধন করেনি। সার্কুলারের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ লেনদেন ও সহায়তা প্রদান দুটোই নিষিদ্ধ রেখেছে, এবং নীতিমালা নিজেই বলছে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়ে FER Act 1947 প্রযোজ্য থাকবে।
২০২৬ সালের নীতিমালা বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সার্কুলারটি বাতিল বা সংশোধন করেনি। ওই সার্কুলারের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ ভার্চুয়াল অ্যাসেট সংগ্রহের লেনদেন এবং সেই লেনদেন সংক্রান্ত ব্যবসায় যেকোনো ধরনের সহায়তা প্রদান — দুটোই নিষিদ্ধ করেছে। ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী লঙ্ঘন FER Act 1947-এর ধারা 5(1)(e) লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য এবং ধারা 23(1) অনুযায়ী আমলযোগ্য।
নীতিমালা ও সার্কুলার একে অপরের বিরোধী নয় — বরং নীতিমালা নিজেই বলছে যে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয়ে FER Act 1947 প্রযোজ্য থাকবে। দুটি নথি একসঙ্গে পড়লে ছবিটি সঙ্গতিপূর্ণ: প্রযুক্তি উৎসাহিত, মুদ্রা নিয়ন্ত্রিত।
নীতিমালাটি আসলে যা বদলেছে এবং যা বদলায়নি
বদলেছে দায়িত্বের স্পষ্টতা; বদলায়নি আইনি অবস্থান। ক্রিপ্টো কেনাবেচা ও লেনদেনে সহায়তা প্রদানের অবস্থা অপরিবর্তিত, আর নতুন যা এসেছে তা হলো সরকারি সেবায় ব্লকচেইন প্রয়োগ, নাগরিক সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রক এখতিয়ারের বিভাজন।
বদলেছে দায়িত্বের স্পষ্টতা; বদলায়নি আইনি অবস্থান। নিচের টেবিলটি দুই কলামে সেটি আলাদা করে দেখায়।
| বিষয় | নীতিমালার পর অবস্থা |
|---|---|
| ক্রিপ্টো কেনাবেচার আইনি অবস্থা | অপরিবর্তিত — FE Circular No. 24 বহাল |
| লেনদেনে সহায়তা প্রদান | অপরিবর্তিত — নিষিদ্ধ |
| এক্সচেঞ্জের লাইসেন্স | এখতিয়ার বাংলাদেশ ব্যাংকের বলে চিহ্নিত; কোনো ব্যবস্থা এখনো চালু হয়নি |
| সরকারি সেবায় ব্লকচেইন প্রয়োগ | নতুন — নীতিমালার মূল বিষয়বস্তু |
| নাগরিক সচেতনতা ও দক্ষতা উন্নয়ন | নতুন — নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য |
| নিয়ন্ত্রক এখতিয়ারের বিভাজন | স্পষ্ট হয়েছে — এটাই নীতিমালার প্রকৃত অবদান |

এটি কি ভবিষ্যতে উন্মুক্ত হওয়ার ইঙ্গিত?
কোনো নিশ্চিত ইঙ্গিত নয় — নীতিমালায় কোনো সময়সীমা নেই, তাই আমরা কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করছি না। চাহিদার দিকটি অবশ্য বাস্তব: Chainalysis-এর ২০২৫ সালের সূচকে ১৫১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩তম, তবে সেটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা নয়।
এখতিয়ার নির্ধারণ সাধারণত নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ার প্রাথমিক ধাপ, তবে এটি কোনো প্রতিশ্রুতি নয় এবং কোনো সময়সীমা ঘোষিত হয়নি। আমরা কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করছি না — নীতিমালায় এমন কিছু লেখা নেই যা থেকে সময়সূচি অনুমান করা যায়।
একই সঙ্গে চাহিদার দিকটিও বাস্তব: Chainalysis-এর ২০২৫ সালের গ্লোবাল ক্রিপ্টো অ্যাডপশন সূচকে ১৫১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১৩তম। তবে এই সূচকটি লেনদেনের পরিমাণকে জিডিপি অনুপাতে ভারিত করে হিসাব করে — এটি ব্যবহারকারীর সংখ্যা নয়, এবং এর থেকে “বাংলাদেশে কত লাখ মানুষ ক্রিপ্টো ব্যবহার করেন” ধরনের কোনো সংখ্যা বের করা যায় না। কেউ তেমন সংখ্যা দাবি করলে উৎস চেয়ে নিন।
ভুল দাবি ও নথিভিত্তিক জবাব
নীতিমালাটি ঘিরে সবচেয়ে বেশি ছড়ানো চারটি দাবির কোনোটিই মূল নথি সমর্থন করে না — “ক্রিপ্টো বৈধ হয়েছে”, “এখন এক্সচেঞ্জ লাইসেন্স নিতে পারবে”, “পুরনো নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়েছে” এবং “ব্লকচেইন সমর্থন মানে ক্রিপ্টো সমর্থন”। নথিভিত্তিক জবাব নিচের টেবিলে।
নীতিমালাটি ঘিরে সবচেয়ে বেশি ছড়ানো দাবিগুলো এবং মূল নথি অনুযায়ী জবাব নিচে দেওয়া হলো।
| দাবি | নথি অনুযায়ী জবাব |
|---|---|
| “বাংলাদেশ ক্রিপ্টো বৈধ করেছে” | ধারা 7.4 ক্রিপ্টোকে নীতিমালার আওতার বাইরে রেখেছে। বৈধতার কোনো ঘোষণা নেই। |
| “এখন এক্সচেঞ্জ লাইসেন্স নিতে পারবে” | ভাষা ভবিষ্যৎকালে — কেন্দ্রীয় ব্যাংক “নির্ধারণ করতে পারে”। কোনো লাইসেন্স ব্যবস্থা এখনো নেই। |
| “পুরনো নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়েছে” | FE Circular No. 24 বাতিলের কোনো উল্লেখ নীতিমালায় নেই। |
| “সরকার ব্লকচেইন সমর্থন করছে মানে ক্রিপ্টো সমর্থন করছে” | নীতিমালা প্রযুক্তি প্রয়োগ নিয়ে; মুদ্রা সংক্রান্ত বিষয় স্পষ্টভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। |

মূল নথি নিজে পড়ে দেখুন
দুটি নথি পাশাপাশি পড়লেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়, কোনো ব্যাখ্যাকারীর প্রয়োজন নেই। জাতীয় ব্লকচেইন নীতিমালা ২০২৬-এর ধারা 7.4 ও 7.4.1 এবং FE Circular No. 24-এর ৪ ও ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ — দুটোরই সরাসরি লিংক নিচে দেওয়া আছে।
দুটি নথি পাশাপাশি পড়লেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায় — কোনো ব্যাখ্যাকারীর প্রয়োজন নেই।
- জাতীয় ব্লকচেইন নীতিমালা ২০২৬ (আইসিটি বিভাগ, জানুয়ারি ২০২৬) — সম্পূর্ণ PDF; ধারা 7.4 ও 7.4.1 দেখুন।
- বাংলাদেশ ব্যাংক — FE Circular No. 24, 15 September 2022 (PDF); ৪ ও ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ।
- শাস্তির ধারা — FER Act 1947, Section 23।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
নিচে চারটি প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত উত্তর — নীতিমালাটি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক কি না, লাইসেন্স ব্যবস্থা কবে চালু হবে, কোনো প্ল্যাটফর্ম “অনুমোদিত” দাবি করলে কী বুঝবেন, এবং ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি এক জিনিস কি না।
তাহলে নীতিমালাটি কি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক?
না। এটি সরকারি সেবায় ব্লকচেইন প্রয়োগের কাঠামো তৈরি করে এবং নিয়ন্ত্রক এখতিয়ার স্পষ্ট করে। শুধু ক্রিপ্টোকারেন্সির আইনি অবস্থান এতে পরিবর্তিত হয়নি।
কবে লাইসেন্স ব্যবস্থা চালু হবে?
নীতিমালায় কোনো সময়সীমা উল্লেখ নেই। আমরা এ বিষয়ে কোনো অনুমান করব না; ঘোষণা এলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটেই তা প্রথমে প্রকাশিত হবে।
কোনো প্ল্যাটফর্ম যদি বলে তারা বাংলাদেশে অনুমোদিত?
আজকের তারিখে যাচাই করার মতো কোনো অনুমোদন তালিকা অস্তিত্বশীল নয়, কারণ ব্যবস্থাটিই চালু হয়নি। এমন দাবি সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করাই নিরাপদ।
ব্লকচেইন আর ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এক জিনিস?
না। ব্লকচেইন হলো তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাইয়ের একটি পদ্ধতি; ক্রিপ্টোকারেন্সি সেই পদ্ধতির ওপর নির্মিত একটি প্রয়োগ। বাংলাদেশের নীতিমালা প্রথমটিকে গ্রহণ করেছে, দ্বিতীয়টিকে নিয়ন্ত্রকের হাতে রেখে দিয়েছে।
আরও পড়ুন
একই বিষয়ে এই সাইটের অন্য দুটি লেখা নিচে দেওয়া হলো — “১২ বছরের জেল” সংখ্যাটি আসলে কোন আইন থেকে এসেছে, এবং ক্রিপ্টো প্রতারণা চেনার সাতটি উপায়।
সর্বশেষ যাচাইয়ের তারিখ: । এই তারিখে নীতিমালার PDF ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার সরাসরি পরীক্ষা করা হয়েছে। নীতি পরিবর্তিত হতে পারে — সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল নথি দেখে নিন। এই সাইটে কোনো অ্যাফিলিয়েট লিংক নেই এবং আমরা বিনিয়োগ পরামর্শ দিই না।