সংক্ষেপে: এই সাইটের লেখাগুলো লিখি আমি — আরিফ হাসান। ২০১৭ সাল থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ব্লকচেইন প্রযুক্তি অনুসরণ করছি। আমি বিনিয়োগের পরামর্শ দিই না, কোনো প্ল্যাটফর্মের প্রচারও করি না।
সূচিপত্র
পরিচয়
আমি আরিফ হাসান। ২০১৭ সাল থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ব্লকচেইন প্রযুক্তি অনুসরণ করছি, এবং বাংলাদেশে এ বিষয়ে আইন ও নিয়ন্ত্রক নির্দেশনা কীভাবে বদলাচ্ছে তা নিয়মিত পড়ি।
এই সাইট শুরু করার কারণ সহজ: বাংলা ভাষায় ক্রিপ্টো নিয়ে যা পাওয়া যায় তার বড় অংশই হয় কেনার নির্দেশনা, নয়তো একে অপরের কাছ থেকে কপি করা তথ্য — যেখানে উৎস দেওয়া থাকে না। ফলে ভুল তথ্য বছরের পর বছর ঘুরতে থাকে। আমি উল্টো দিক থেকে শুরু করতে চেয়েছি: মূল নথি কী বলছে, আর সেখান থেকে কতটুকু নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
আমি যা করি না
- বিনিয়োগ পরামর্শ দিই না, কোনো কয়েন কেনা বা বেচার কথা বলি না।
- কোনো এক্সচেঞ্জ বা প্ল্যাটফর্মের প্রচার করি না, রেফারেল বা অ্যাফিলিয়েট লিংক রাখি না।
- অ্যাকাউন্ট খোলার ধাপে ধাপে নির্দেশনা দিই না।
- দামের পূর্বাভাস বা লাভের কোনো প্রতিশ্রুতি দিই না।
এর একটি অংশ নীতিগত, আরেকটি অংশ বাস্তব: বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২২ সালের সার্কুলার অনুযায়ী ভার্চুয়াল সম্পদের লেনদেন এবং সেই লেনদেনে যেকোনো ধরনের সহায়তা দেওয়া অনুমোদিত নয়। তাই এই সাইট ব্যাখ্যা করে, পথ দেখায় না।
যাচাইয়ের পদ্ধতি
- মূল উৎস আগে। আইন বা নিয়ম সংক্রান্ত প্রতিটি দাবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার, সরকারি গেজেট বা নীতিমালার নথি এবং তার তারিখ দেওয়া থাকে। সংবাদ প্রতিবেদন ব্যবহার করলে সেটিকে দ্বিতীয় স্তরের উৎস হিসেবে আলাদা করে চিহ্নিত করি।
- না জানলে না জানাই লিখি। নির্ভরযোগ্য উৎস না পেলে স্পষ্ট করে লিখি “যাচাই করা যায়নি” — অনুমান করে সংখ্যা, ধারা বা শাস্তির মেয়াদ লিখি না।
- সংশোধনী মুছে ফেলা হয় না। ভুল ধরা পড়লে লেখাটি নিঃশব্দে বদলে দেওয়া হয় না; নিচে তারিখসহ সংশোধনী নোট যোগ করা হয়।
- সীমা স্বীকার করি। আমি আইনজীবী বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত আর্থিক উপদেষ্টা নই। এখানে যা আছে তা তথ্য, আইনি বা বিনিয়োগ পরামর্শ নয়।
ভুল দেখলে জানান
কোনো তথ্য ভুল মনে হলে সেই লেখার লিংক ও আপনার উৎস পাঠান। যাচাই করে সংশোধন করলে লেখার নিচে সংশোধনী নোট যুক্ত করা হয়। যোগাযোগের ঠিকানা আছে যোগাযোগ পাতায়, আর সম্পাদনার নিয়মগুলো লেখা আছে সম্পাদকীয় নীতি পাতায়।