অল্প টাকায় ক্রিপ্টো শুরু: ন্যূনতম অর্ডার কত, আর কোন খরচটা আসলে বড়?

অল্প টাকায় ক্রিপ্টো শুরু: ন্যূনতম অর্ডার কত, আর কোন খরচটা আসলে বড়?

সংক্ষেপে: ১৩ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রকাশ্য API অনুযায়ী BTC/USDT স্পট জোড়ায় ন্যূনতম অর্ডার Bitget-এ 1 USDT, Gate-এ 3 USDT, Binance-এ 5 USDT — মানে কয়েক শ টাকাতেই কেনা যায়। কিন্তু 10 USDT-এর মতো ছোট অঙ্কে আসল খরচ ট্রেড ফি নয়: Bitget থেকে TRC20 নেটওয়ার্কে USDT তুলতে স্থির ফি 1.5 USDT, যা 10 USDT-এর 15%; BEP20-তে ফি … বিস্তারিত পড়ুন

মেকার ও টেকার ফি কী? লিমিট অর্ডারে কখন ফি কম লাগে — তিন এক্সচেঞ্জের তথ্যসহ

মেকার ও টেকার ফি কী? লিমিট অর্ডারে কখন ফি কম লাগে — তিন এক্সচেঞ্জের তথ্যসহ

সংক্ষেপে: যে অর্ডার অর্ডার বইয়ে নতুন দাম যোগ করে অপেক্ষা করে, সেটি মেকার; যে অর্ডার বইয়ে আগে থেকে থাকা অর্ডার সঙ্গে সঙ্গে পূরণ করে, সেটি টেকার। অনেক এক্সচেঞ্জে মেকারের ফি কম, তবে সব জায়গায় নয়। পাবলিক API অনুযায়ী MEXC-এর (১২ অক্টোবর ২০২৬) প্রায় 94% পেয়ারে মেকার 0% (টেকার 0.05%–0.2%, বেশির ভাগে 0.08%); কিন্তু (১২ অক্টোবর … বিস্তারিত পড়ুন

USDT কী? স্টেবলকয়েন সহজ ভাষায়, আর P2P-তে কেনার আগে যা জানা দরকার

USDT কী — ১ ডলারের কাছে থাকা স্টেবলকয়েন বোঝাচ্ছে বাঘছানা

সংক্ষেপে: USDT হলো একটি স্টেবলকয়েন — এমন একটি ক্রিপ্টো টোকেন যার দাম মার্কিন ডলারের সঙ্গে প্রায় ১:১ ধরে রাখার লক্ষ্যে তৈরি। বিটকয়েনের মতো এর দাম প্রতিদিন বড় আকারে ওঠানামা করে না, তাই এক্সচেঞ্জে এটি মূলত “ডলারের মতো একক” হিসেবে ব্যবহার হয়। তবে “স্থিতিশীল” মানে “ঝুঁকিহীন” নয়: ইস্যুকারীর ওপর নির্ভরতা, ভুল নেটওয়ার্কে পাঠানো, আর বাংলাদেশে bKash … বিস্তারিত পড়ুন

বিটকয়েন কী? কীভাবে কাজ করে, দাম কেন ওঠানামা করে — সহজ ব্যাখ্যা

বিটকয়েন কী — ব্লকের শিকল ও খাতা দেখাচ্ছে বাঘছানা, ২০০৯ থেকে

সংক্ষেপে: বিটকয়েন হলো ইন্টারনেটভিত্তিক একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো ব্যাংক বা সরকার ইস্যু করে না। লেনদেনের হিসাব রাখা হয় হাজার হাজার কম্পিউটারে একসঙ্গে সংরক্ষিত একটি উন্মুক্ত খাতায় — যার নাম ব্লকচেইন। মোট বিটকয়েনের সংখ্যা নিয়ম অনুযায়ী ২ কোটি ১০ লাখের বেশি হবে না। এর দাম কেউ নির্ধারণ করে না, বাজারের চাহিদা-জোগানে প্রতিদিন বড় আকারে ওঠানামা … বিস্তারিত পড়ুন

নিবন্ধনের সময় সবচেয়ে বেশি যে ভুলগুলো হয়

সংক্ষেপে: নিবন্ধনের ভুলগুলো দুই দলে ভাগ করা যায় — যেগুলো পরে ঠিক করা যায় (পাসওয়ার্ড, বিজ্ঞপ্তির সেটিং, নথির ছবি আবার জমা দেওয়া) আর যেগুলো প্রায় স্থায়ী (ভুল দেশ নির্বাচন, রেফারেল কোডের ঘর খালি রাখা, নকল সাইটে পাসওয়ার্ড দেওয়া)। দ্বিতীয় দলটির জন্যই কয়েক সেকেন্ড বাড়তি মনোযোগ দেওয়া দরকার — সেখানেই আসল ক্ষতি হয়। এই লেখাটি তথ্যমূলক। … বিস্তারিত পড়ুন

KYC যাচাইয়ে কোন নথি লাগে ও কেন ফেরত আসে

সংক্ষেপে: প্রায় সব এক্সচেঞ্জে তিনটি জিনিস লাগে — একটি মেয়াদসম্পন্ন সরকারি পরিচয়পত্র, তার স্পষ্ট ছবি এবং একটি লাইভনেস যাচাই (ক্যামেরার সামনে মুখ দেখানো)। কোন নির্দিষ্ট নথিগুলো গ্রহণ করা হবে তা দেশভেদে আলাদা, তাই চূড়ান্ত তালিকা এক্সচেঞ্জের যাচাই পাতায় যা দেখানো হয় সেটিই। আবেদন ফেরত আসার সবচেয়ে বড় কারণ নথির মান নয় — নামের বানান না … বিস্তারিত পড়ুন

ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে অ্যাকাউন্ট খোলার পুরো প্রক্রিয়া

সংক্ষেপে: এক্সচেঞ্জ যেটিই হোক, প্রক্রিয়াটি প্রায় একই ছয়টি ধাপে চলে: ইমেইল বা ফোন → পাসওয়ার্ড → বসবাসের দেশ → ঐচ্ছিক রেফারেল কোড → ইমেইল বা এসএমএস যাচাই → পরিচয় যাচাই (KYC)। এর মধ্যে বসবাসের দেশ ও রেফারেল কোড — এই দুটি সিদ্ধান্ত পরে বদলানো কঠিন বা অসম্ভব, বাকিগুলো পরেও ঠিক করে নেওয়া যায়। এই লেখাটি … বিস্তারিত পড়ুন